মানবজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আরবের মক্কায় যখন আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকারের চরম পর্যায় চলছিল, তখন তিনি রহমত হিসেবে আবির্ভূত হন।
জন্মের আগেই পিতাকে এবং শৈশবেই মাতাকে হারিয়ে তিনি এতিম হিসেবে বড় হন। কিন্তু তাঁর চারিত্রিক গুণাবলী ছিল অতুলনীয়। আরবের পাপাচারী সমাজও তাঁকে 'আল-আমিন' বা বিশ্বাসী উপাধিতে ভূষিত করেছিল।
৪০ বছর বয়সে জিবরাঈল (আ.)-এর মাধ্যমে আল্লাহর বাণী লাভ করেন। মক্কায় ১৩ বছরের কঠিন সংগ্রাম, কাফেরদের নির্যাতন এবং পরিশেষে মদিনায় হিজরত—এই প্রতিটি ঘটনা আমাদের জন্য ধৈর্যের শিক্ষা দেয়।
তিনি কেবল একজন ধর্মপ্রচারক ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একজন শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক ও সমরবিদ। বদর, ওহুদ ও খন্দকের যুদ্ধের মাধ্যমে তিনি ইসলামকে সুসংহত করেন এবং রক্তপাতহীন মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে ক্ষমার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।